জ্বালানি তেল উত্তোলন হ্রাসে ওপেক প্লাসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা

বেঁধে দেয়া কোটার তুলনায় বেশি জ্বালানি তেল উত্তোলন করলে ওপেক প্লাসের সদস্য দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পরবর্তী সময়ে উত্তোলন কমাতে হয়।

বেঁধে দেয়া কোটার তুলনায় বেশি জ্বালানি তেল উত্তোলন করলে ওপেক প্লাসের সদস্য দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পরবর্তী সময়ে উত্তোলন কমাতে হয়। এ উত্তোলন হ্রাসে বৃহস্পতিবার সাতটি সদস্য দেশের জন্য একটি নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। এর পরিমাণ আসন্ন মাসে নির্ধারিত উত্তোলন বৃদ্ধির তুলনায় বেশি হবে। খবর রয়টার্স।

ওপেকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি তথ্যানুযায়ী, এ পরিকল্পনায় প্রতি মাসে দৈনিক গড়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ব্যারেল থেকে ৪ লাখ ৩৫ হাজার ব্যারেল উত্তোলন কমানোর কথা বলা হয়েছে। এ পরিকল্পনা ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক ও রাশিয়াসহ সহযোগী দেশগুলো নিয়ে গঠিত ওপেক প্লাস। মূল্যবৃদ্ধির পদক্ষেপ হিসেবে ২০২২ সাল থেকে সংগঠনটি সার্বিক উত্তোলন দৈনিক গড়ে ৫৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল কমিয়ে রেখেছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৫ দশমিক ৭ শতাংশ।

গত ৩ মার্চ ওপেক প্লাস জানিয়েছিল, রাশিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কুয়েত, ওমান, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান ও ইরাক দৈনিক ১ লাখ ৩৮ হাজার ব্যারেল উত্তোলন বাড়াবে। বাজার পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূলে থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সংগঠনটি।

কিন্তু রয়টার্সের সূত্র অনুযায়ী, কাজাখস্তানের সাম্প্রতিক অতিরিক্ত উত্তোলন অন্য সদস্যদের অসন্তুষ্ট করেছে।

সংশোধিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরাক সবচেয়ে বেশি জ্বালানি উত্তোলন কমাবে। এর পরই আছে কাজাখস্তান ও রাশিয়ার অবস্থান। এদিকে সৌদি আরবের উত্তোলন হ্রাসের কোটা দৈনিক গড়ে ৬-১৫ হাজার ব্যারেল বেঁধে দেয়া হয়েছে, যা তিন মাসের জন্য কার্যকর থাকবে।

আরও